কেন আ ক ম মোজাম্মেল হকের বিচার হবে না?
সুবিদ আলী ভুইয়ার কথায় একজন মুক্তিযোদ্ধাকে মোজাম্মেল অপমান করতে পারে না। আমি ভারতে প্রশিক্ষন নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। মোজাম্মেল হকের বাবারও শক্তি নেই আমার নাম তালিকা থেকে বাদ দেবার। উপরন্তু আমার আবেদন গ্রহণ না করার অধিকার মোজাম্মেল হক কে রাস্ট্র বা জনগণ প্রদান করেনি। ক্কুত্তার বাচ্চা তোর জাইংগা খুলে ফেল্বো। ক্রস ফায়ার ছাড়া থামাতে পারবিনা শূয়োরের বাচ্চা মোজাম্মেল হক!


সাবাস বাপের বেটা। বাঘের ঘরে বাঘের জন্ম।


আল্লাহ্ তোমার বাবাকে বেহেস্ত নসীব করুণ। আমিন
**********************
চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সেই মুক্তিযোদ্ধার ছেলের।
মুক্তিযোদ্ধার প্রতি অবহেলা ও তাঁর ছেলেকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় অসিয়ত মোতাবেক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন হওয়ার এক দিন পর বাবার মতোই প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের দেওয়া চাকরির প্রস্তাব ফেরত দিয়েছেন তাঁর ছেলে। ছেলে নূর ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সম্মানটুকু না নিয়ে আমার বাবা বিদায় নিয়েছেন। এমন প্রশাসনের দেওয়া চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অপরদিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধার দাফন হওয়ার ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনারের গঠিত তদন্ত কমিটি কার্যক্রম শুরু করেছে। কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, এই ঘটনায় যারাই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইচ্ছানুযায়ী রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন হওয়া মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের ছেলেরা ও স্ত্রী নুর নেহার বেগম ওই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান চেয়েছেন। স্ত্রী নুর নেহার বেগম বলেন, ছেলেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, যার কারণেই স্বামীকে হারিয়েছেন তিনি। এ ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন তিনি।
জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম মরহুম সেই মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যান। এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী নুর নেহার বেগম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নুর ইসলামকে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং সরকারি যে বাড়িতে থাকতেন সেখানেই তিনি থাকবেন বলে জানান।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে চাকরিহারা নূর ইসলাম ও তাঁর বড় ভাই নুরুজ্জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তাঁরা বলেন, ‘জেলা প্রশাসক এসেছিলেন। আমরা তাঁকে সম্মানের সঙ্গে কথা বলে বিদায় দিয়েছি। তিনি চাকরি ও বাড়ি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বলেছেন। আমরা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে—জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের সুপারিশে চাকরি হয়েছিল, আর জেলা প্রশাসক চাকরি খেয়েছেন। এখন আমরা হুইপের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছি।’
নুরুজ্জামান বলেন, ‘জেলা প্রশাসক আমার ভাইকে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু ওই চাকরি আমরা গ্রহণ করব না। কারণ দুই মাস পর আবার আমার ভাইকে চাকরিচ্যুত করা হতে পারে। তা ছাড়া আমার বাবার প্রতি চরম অবহেলা করা হয়েছে। আমরা সরকারের প্রতিনিধি হুইপ ইকবালুর রহিমের দিকে চেয়ে আছি, তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই আমরা মেনে নিব। আমার বাবা জীবদ্দশায় যার সাক্ষাৎ পাননি, মরণের পরেও যাদের কারণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গ্রহণ করেননি, তাদেরকে আমরা মাফ করার কে?’
এ সময় চাকরিহারা নূর ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা আগে সিনেমায় দেখতাম। আমি আমার জীবনে বাস্তবে দেখেছি। আমি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় আছি, আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
গতকাল শনিবার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন ঘটনা তদন্তে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে যান।
উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা আগে একটি চিঠিতে জেলা প্রশাসন অন্যায়ভাবে তাঁর ছেলের চাকরি কেড়ে নিয়েছে অভিযোগ করে প্রতিবাদস্বরূপ তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করতে বলে যান। ছেলে হঠাৎ চাকরিচ্যুত হওয়ায় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথা জানান। হুইপ ইকবালুর রহিম বরাবর চিঠি লেখার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গত ২৩ অক্টোবর মারা যান এই মুক্তিযোদ্ধা।

সাবাস বাপের বেটা। বাঘের ঘরে বাঘের জন্ম।
আল্লাহ্ তোমার বাবাকে বেহেস্ত নসীব করুণ। আমিন
**********************
চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সেই মুক্তিযোদ্ধার ছেলের।
মুক্তিযোদ্ধার প্রতি অবহেলা ও তাঁর ছেলেকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় অসিয়ত মোতাবেক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন হওয়ার এক দিন পর বাবার মতোই প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের দেওয়া চাকরির প্রস্তাব ফেরত দিয়েছেন তাঁর ছেলে। ছেলে নূর ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সম্মানটুকু না নিয়ে আমার বাবা বিদায় নিয়েছেন। এমন প্রশাসনের দেওয়া চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অপরদিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধার দাফন হওয়ার ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনারের গঠিত তদন্ত কমিটি কার্যক্রম শুরু করেছে। কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, এই ঘটনায় যারাই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইচ্ছানুযায়ী রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন হওয়া মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের ছেলেরা ও স্ত্রী নুর নেহার বেগম ওই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান চেয়েছেন। স্ত্রী নুর নেহার বেগম বলেন, ছেলেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, যার কারণেই স্বামীকে হারিয়েছেন তিনি। এ ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন তিনি।
জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম মরহুম সেই মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যান। এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী নুর নেহার বেগম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নুর ইসলামকে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং সরকারি যে বাড়িতে থাকতেন সেখানেই তিনি থাকবেন বলে জানান।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে চাকরিহারা নূর ইসলাম ও তাঁর বড় ভাই নুরুজ্জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তাঁরা বলেন, ‘জেলা প্রশাসক এসেছিলেন। আমরা তাঁকে সম্মানের সঙ্গে কথা বলে বিদায় দিয়েছি। তিনি চাকরি ও বাড়ি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বলেছেন। আমরা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে—জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের সুপারিশে চাকরি হয়েছিল, আর জেলা প্রশাসক চাকরি খেয়েছেন। এখন আমরা হুইপের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছি।’
নুরুজ্জামান বলেন, ‘জেলা প্রশাসক আমার ভাইকে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু ওই চাকরি আমরা গ্রহণ করব না। কারণ দুই মাস পর আবার আমার ভাইকে চাকরিচ্যুত করা হতে পারে। তা ছাড়া আমার বাবার প্রতি চরম অবহেলা করা হয়েছে। আমরা সরকারের প্রতিনিধি হুইপ ইকবালুর রহিমের দিকে চেয়ে আছি, তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই আমরা মেনে নিব। আমার বাবা জীবদ্দশায় যার সাক্ষাৎ পাননি, মরণের পরেও যাদের কারণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গ্রহণ করেননি, তাদেরকে আমরা মাফ করার কে?’
এ সময় চাকরিহারা নূর ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা আগে সিনেমায় দেখতাম। আমি আমার জীবনে বাস্তবে দেখেছি। আমি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় আছি, আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
গতকাল শনিবার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন ঘটনা তদন্তে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে যান।
উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা আগে একটি চিঠিতে জেলা প্রশাসন অন্যায়ভাবে তাঁর ছেলের চাকরি কেড়ে নিয়েছে অভিযোগ করে প্রতিবাদস্বরূপ তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করতে বলে যান। ছেলে হঠাৎ চাকরিচ্যুত হওয়ায় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথা জানান। হুইপ ইকবালুর রহিম বরাবর চিঠি লেখার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গত ২৩ অক্টোবর মারা যান এই মুক্তিযোদ্ধা।
20 years of growing organic vegetables and delivering vegetable boxes from our 12-acre farm in Sussex.
Services
What We Do

We produce organic vegetable boxes that are affordable, seasonal, and as fresh and local as possible.

We have different sizes of boxes available for various appetites, from individuals to families.

We are flexible with the items in your boxes. You can change items in your order for something you would like.
Meet us better
Our Organic Farm in Numbers
370
households per month
23
experts working
5
awards won
100%
satisfied customers

Why You’ll Love Us
There is never been a better time to eat organic. Organic means working with nature. We’re coming into a fantastic time for European food.
- Delicious
- Ethical
- Sustainable
- Seasonal
- Free delivery
“Excellent Service”
Their service is brilliant! I really hope some of them are now using your service.
Fiona
“Love the flexibility”
We are very happy with the box and we value that we can have the standard box or choose our own.
Joseph
“Fantastic quality”
I’m really appreciating the quality and presentation. The flavour of the veg is outstanding.
Michelle
Try with our vegetables
Our Favourite Recipes
- আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেতে চাইনা-অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলতে চাই, অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে বলতে চাই।আমি ভারতে প্রশিক্ষন নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। আমার নাম কেন তালিকায় নেই? আমার আবেদন কেন আ ক ম মোজাম্মেল হক গ্রহণ করেনি? কেন শাহজাহান খান গুরুত্ব দেয়নি? কেন বিচার পেলাম না? আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেতে চাইনা-অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলতে চাই, অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধেContinue reading “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেতে চাইনা-অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলতে চাই, অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে বলতে চাই।”
- to the honorable President Prime Minister & Cheif of RAB, Bangladeshমাননীয় সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান খান স্যারের নিকট জানতে চাই-যেদিন কালকিনি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই হয়েছিল, সেদিন যখন আপনি কালকিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন করেনঃ“আব্দুস সোবহান গোলাপContinue reading “to the honorable President Prime Minister & Cheif of RAB, Bangladesh”
- Agartala Conspiracy: Fact or Fiction?Agartala Conspiracy: Fact or Fiction? In early 1968, Home Department of Pakistan revealed that a conspiracy had been unearthed in East Pakistan (now Bangladesh) that sought to destabilize Pakistan and break the Eastern wing through an armed revolt. This wasContinue reading “Agartala Conspiracy: Fact or Fiction?”

